বিশ্বাসের যৌক্তিকতা

Hot
-27%

বিশ্বাসের যৌক্তিকতা

বহস বা বিতর্ক অনুষ্ঠানের ময়দানে সফল হওয়ার একটা চাবিকাঠি আছে!সেটা হচ্ছে, বিপরীত দলের মতাবলম্বী গুরুদের উক্তি বা তাদের নিজস্ব থিওরির মারপ্যাঁচে ফেলে কাবু করে ফেলা। বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বইটি মূলত এই প্রকৃতিরই একটি বই। যেখানে নাস্তিকদের লিডারতূল্য বা জনপ্রিয় বিজ্ঞানীদের থিওরীর আলোকেই স্রষ্ঠার ভাবনাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ইমরান হোসাইন নামে একজন অনলাইন অ্যাকক্টিভিস্ট, দাঈ -এর একটি লেকচার ও লেখকের অনুসন্ধানের সমন্বয়ে বইটির অস্তিত্ব।

৳ 120.00 ৳ 88.00

  • Description
  • Author
  • Additional information
  • Reviews (0)

Description

বহস বা বিতর্ক অনুষ্ঠানের ময়দানে সফল হওয়ার একটা চাবিকাঠি আছে!সেটা হচ্ছে, বিপরীত দলের মতাবলম্বী গুরুদের উক্তি বা তাদের নিজস্ব থিওরির মারপ্যাঁচে ফেলে কাবু করে ফেলা। বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বইটি মূলত এই প্রকৃতিরই একটি বই। যেখানে নাস্তিকদের লিডারতূল্য বা জনপ্রিয় বিজ্ঞানীদের থিওরীর আলোকেই স্রষ্ঠার ভাবনাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ইমরান হোসাইন নামে একজন অনলাইন অ্যাকক্টিভিস্ট, দাঈ -এর একটি লেকচার ও লেখকের অনুসন্ধানের সমন্বয়ে বইটির অস্তিত্ব।

স্রষ্ঠার অস্তিত্ব। এখানে দুইভাবে স্রষ্ঠার অস্তিত্বকে সাব্যস্ত করা হয়েছে। প্রথমতঃ মানুষের জন্মটাই একটা ফিতরতের উপর। অর্থাৎ আমাদের মৌলিক বিশ্বাস ও ফ্যাংশনাল রিজনিং দ্বারাই স্রষ্ঠা প্রমাণিত। সিলোজিসম ও ডিডাক্টিভ আর্গুমেন্ট পদ্ধতিতে এর প্রমান করা গেলেও সেটা যথার্থ না। কারন সত্য এমন হওয়া চাই, সকলের বোধগম্য হবে।কিন্তু সিলোজিসম ও ডিডাক্টিভ আর্গুমেন্ট কয়জন বুঝতে সক্ষম!!( সিলোজিসম ও ডিডাক্টিভ আর্গুমেন্টের ব্যখ্যা বইটিতে উদ্ধৃত হয়েছে)

অবাক বিশ্বের অদ্ভুত নিয়মানুবর্তিতাই প্রমান করে এর পিছনে স্রষ্টার হাত রয়েছে। বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন ও বিষয়টি স্বীকার করতে বলেন, ” আমরা যতই আবিষ্কার করি ততই খুঁজে পাই যে বিশ্ব যৌক্তিক নিয়মের দ্বারা পরিচালিত।কাজেই এই সুশৃঙ্খলা স্রষ্টার কাজ।”

the gos question – এই বাক্যটি তথ্য ধারণ করছে। আমরা এটা মানতে রাজি যে, কোন ব্যক্তি এটিকে টাইপ করেছে।কিন্তু আমাদের DNA এর কোষপ্রতি ৬ বিলিয়ন ক্ষার যুগল, অন্যভাবে বললে ৬ বিলিয়ন বর্ণ দিয়ে গঠিত এক বাক্য। তার উত্তপত্তি নাকি ” ছু মন্তর ছু” এর যাদুর মত হয়ে গেছে!

নাস্তিকরা আমাদের বুঝাতে চায় বিজ্ঞানীরা নাকি সত্য সন্ধানী। অথচ দর্শনগত দিক দিয়ে তারা,বস্তুবাদী হওয়ার কারনে অনেক সত্যকেই এড়িয়ে চলে। নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী জর্জ ওয়াল্ড প্রাণের উৎপত্তির রহস্যে ঐশ্বরিক সৃষ্টির প্রমাণ পাওয়ার পর বিষয়টি স্বীকার করেন।

এখানে বিবর্তন নিয়ে আলোচনা দুটো পয়েন্টে। এক- বানর থেকে ক্রমাগত মানুষের আকারে রূপ লাভ করার যেই ছবিটি আমরা দেখতে পাই সেটি মূলত সঠিক নয়। এটি স্বয়ং মূলধারা নাস্তিক,সেক্যুলার, বিবর্তনে বিশ্বাসী গবেষকদের বিবৃতির মাধ্যমেই প্রমাণ করা হয়েছে। দুই- বৈজ্ঞানিক সত্য কখনোই চূড়ান্ত নয়। আজ যেটা সঠিক,কাল সেটা বাতিল বলেও বিবেচিত হতে পারে। বিবর্তনের ব্যাপারটি ও এই নীতির বাহিরে নয়। রিচার্ড ডকিন্স সহ আরো কিছু বিজ্ঞানীদের থিওরীটাই এমন প্রমাণ করে।

এখানে আসলে সূচীপত্রের প্রতিটি শিরোনামের আওতায় ইংরেজীতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিজ্ঞানির মত সংযোজিত হয়েছে।

ইতিপূর্বে আমার সংগ্রহে যেসব বই এসেছে উক্ত বিষয়ে,এর সবগুলিই ছিল মুটামুটি যুক্তিনির্ভর। কিন্তু এই বইটি হচ্ছে এর পুরোপুরি বিপরীত।” শুনলাম-মানলাম” এই মানসিকতাকেই এখানে প্রাধান্য দিয়ে তাদের মতবাদগুলোর অভিনব খন্ডন করা হয়েছে।

বইটির উপস্থাপনাশৌলী যথেষ্ট দুর্বোধ্য মনে হয়েছে। স্বাভাবিক পাঠকদের বুঝতে মুটামুটি কপালে ভাজ পড়বে।অনেক ক্ষেত্রে ইতিটাকেও অসম্পূর্ণ লেগেছে।

আমার মত বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যাদের নলেজ মুটামুটি শূন্যের কোঠায়,তাদের জন্য বইটি বোধগম্য হওয়া কষ্টকর।তবে গভীর মনোযোগ নিবিষ্ট করলে এক ঢিলে দুপাখি মারা যাবে।বিজ্ঞান- নাস্তিকতার অসারতা উভয় জিনিসই জানা হয়ে যাবে। মূলত স্কুলগামী থেকে উচ্চশিক্ষার্থী পর্যন্ত সকলের জন্য রেফারেন্সসহ সহজ ভাষায় আলোচ্য বিষয় আলোকপাত হয়েছে।

গল্পের টেবিলে বসে কোন চরিত্রের আলোকে নাস্তিকদের অনেক গল্পই তো শুনা হল! যুক্তির মারপ্যাঁচে নাস্তিকতা নিয়ে অনেকটুকুই খেলা হল। এবার না হয় আলোচনার টেবিলে বসি! আর বিচরণ করি বিশ্বাসের যৌক্তিকথার মাঠে।অবতরণ করি জানা-অজানা নানা তথ্যের সমাহারে। সবশেষে দোয়া রইল লেখক ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য ক্ববুলিয়্যাতের। আমিন!

অনুবাদক,ব্লগার,অনলাইন একটিভিস্ট।পেশায় একজন চিকিৎসক। এটাই তার প্রথম গ্রন্থ।

Additional information

Weight 0.2 kg
লেখক

রাফান আহমেদ

প্রকাশনী

সমর্পণ প্রকাশন

Reviews

There are no reviews yet.


Be the first to review “বিশ্বাসের যৌক্তিকতা”